শিরোনাম
ঠাকুরগাঁওয়ে ভুট্টা ক্ষেতে ৩ বছরের শিশুর মরদেহ উদ্ধার ঠাকুরগাওয়ে শ্বশুর বাড়ীতে জামাইয়ের ঝুলন্ত লাশ কিং সালমান হিউমেনিটেরিয়ান এইড এন্ড রিলিফ সেন্টারের অর্থায়নে ঠাকুরগাঁও জেলার হরিপুর উপজেলায় ত্রাণ বিতরণ ঠাকুরগাওয়ের বালিয়াডাঙ্গীতে অবৈধ ইট ভাটায় ভ্রাম্যমান আদালতের দুই লক্ষ টাকা জরিমানা মিয়ানমার: সেনাবাহিনীর ক্ষমতা দখল, প্রেসিডেন্ট এবং সু চি গ্রেফতার পিপলস ইমপ্রুভমেন্ট সোসাইটি অফ বাংলাদেশ এর পক্ষ থেকে বালিয়াডাঙ্গীতে গরীব ও অসহায় ছাত্রদের মাঝে সুইটার ও কম্বল বিতরণ ঢাকা থেকে বালিয়াডাঙ্গী রানিশংকৈলে ছেড়ে আসা রোজিনা পরিবহনে ডাকাতি,এক মহিলা ডাকাত আটক ঠাকুরগাঁও জেলার বালিয়াডাঙ্গী উপজেলায় ছাত্রলীগের 73 তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন ঠাকুরগাঁও এর বালিয়াডাঙ্গী উপজেলায় সৌদিআরবের বাদশাহ সালমান কর্তৃক ত্রাণ বিতরণ মনগড়া মিথ্যা প্রচার কারায় শাকিলসহ ৪ জনের নামে ল্যিগাল নোটিশ
বুধবার, ০৪ অগাস্ট ২০২১, ০৮:৪২ পূর্বাহ্ন
নোটিশ :
গনতদন্ত নিউজ এ আপনাকে স্বাগতম

করোনা নয় সামনে “সিজন” —হারুন অর রশিদ

হারুন অর রশিদ / ২০০ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ১৩ আগস্ট, ২০২০

করোনা নয় সামনে “সিজন
—হারুন অর রশিদ

১৯৯৬-৯৭ সাল।আমি এক ঔষধ কোম্পানির মেডিক্যাল রিপ্রেজেন্টেটিভ হিসাবে কাজ করতাম।ওই সময় ঠাকুরগাওয়ের ফিরোজ ভাই তিনিও ওই কোম্পানীতে ছিলেন।তিনি এখন ঠিকাদারী করেন।
বড় বড় ডাক্তারদের ধারে কাছে যাওয়া খুব কঠিন ব্যপার ছিল তখন।তবুও হাসপাতালে দু’একজন ডাক্তার ভিজিট করতাম।আমাকে সান্তনা দিয়ে কিছু ঔষধ তাঁরা লেখতেন। আমার ভরসা ছিল গ্রামের বাজারগুলোর কোয়াক ডাক্তার বা পল্লী চিকিৎসকগণ।তারা বেশ ভাল চালাত আমার কোম্পানির ঔষধ।রোগী ও ডাক্তারদের মতে রোগ সাড়াতে বেশ কাজ করতো ওই কোম্পানির এসব ঔষধ।

লেন দেনের ফাঁকে কম বেশী প্রতিটি পল্লী চিকিৎসকের কাছে বেশ কিছু টাকা বাকী পরে গেল।জুন মাস, কোম্পানী থেকে টাকার জন্য মাথার উপর চাপ সৃষ্টি করতে লাগল।আমি পল্লী চিকিৎসকদের এবং ঔষধ দোকানদারদের উপর টাকার জন্য চাপ সৃষ্টি করলাম। তাঁরা আমাকে কিছু টাকা দিয়ে বাকী টাকা সামনে(আসছে)”#সিজন” দিবে মর্মে বোঝাতে লাগলো। আমিতো চমকে উঠার মতো। ডাক্তারদের আবার সিজন কিসের?
ওই পল্লী চিকিৎসককে কিছু বল্লাম না।কারণ আমি নিজেই সিজন সম্পর্কে জানি না এটা জানলে অামাকে বোকা ভাববে তাই।

চলে গেলাম অন্য একটি বাজারে সেখানে একজন পল্লী চিকিসৎককে ভিজিট করলাম।চা পানের দাওয়াত দিলাম। যথারীতি চা পান করলাম।সুযোগ বুঝে প্রশ্ন করলাম রোগের সিজন কোন মাস?
ওই পল্লী চিকিসৎক হেসে বললেন “ভাদ্র ও আশ্বীন” মাস।আবারও প্রশ্ন করলাম,
কেন এই দু’মাসকে রোগের সিজন বলা হয়?
কারণ এ দু’মাসে আবহাওয়া বদল হয়। প্রচন্ড গরম থেকে শীতের আগমন ঘটে।এ সময় মানুষের শরীরে জ্বর, সর্দি, কফ-কাশি প্রতি পরিবারেই হয়।মানুষের মুখে স্বাদ-গন্ধ থাকে না।একজনের হলে ক্রমান্নয়ে পরিবারের প্রতিটি মানুষের হয়।

যার এসব হয় না তারও শরীর ভাল যায় না।কম বেশী প্রতিটি মানুষকে ঔষধের দোকানে যেতে হয়।এজন্য এসময়টাকে রোগের সিজন বলে।

তিনি হাসতে হাসতে আরো জানান,পল্লী চিকিৎসকরা সারা বছর যেভাবেই চলুক,ভাদ্র আশ্বীন মাস তারা ভাল চলে।

এতোদিন করোনা নামক কোন রোগ ছিল না তাই মাথায় লাগেনি।কিন্তু এ বছর করোনার ব্যপক মহামারীতে যখন নাকাল দেশের মানুষ, এলাকার মানুষ। ঠিক সে সময় আসছে সামনে ভাদ্র আশ্বীন মাস।

এত্তো বছর পর আজ মনে হচ্ছে রোগের সিজনের যে কথা শুনেছিলাম ২৪ বছর পূর্বে ওই সিজন সামনে আসছে।আর তার প্রতিটি লক্ষনই করোনার।

আমার কাছে আশংকা হচ্ছে।আগামী ভাদ্র -আশ্বীন মাসে যদি জ্বর, সর্দি, কফ-কাশি, হাঁচি,মাথা ব্যাথা সেই সংগে মুখের স্বাদ ও গন্ধ উঠে যায়।তাহলে মানুষ করোনা আতংকে আতংকিত হয়ে পরবে কম বেশী প্রতিটি পরিবার।

তাই করোনা মনে করে নয় এ সব সমস্যাকে স্বাভাবিকভাবে মনে করে আমাদের চলতে হবে। এতে আতংকিত হবার কিছু নেই।সামনের দিনগুলিতে এ রকম সমস্যা হলে আমাদের সামাজিক দুরত্ব বজায় রাখতে বা চলতে হবে।কোন হা-হুতাশ করার দরকার নেই।সমস্যা দেখা দিলে আলাদা থাকার মতো ঘর থাকলে আলাদা থাকতে হবে।খাবার থালাবাটি আলাদা করে ফেলতে হবে।বেশী টেনশনের দরকার নেই।

সামনে সিজন। জ্বর,সর্দি কাশি,মাথা ব্যাথা থাকতেই পারে।সর্দি, জ্বর, মাথা ব্যথা থাকলেই যে করোনা এমনটি ভাববার দরকার নেই।

সবাই ভাল থাকবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ