শিরোনাম
ঠাকুরগাওয়ের বালিয়াডাঙ্গীতে অবৈধ ইট ভাটায় ভ্রাম্যমান আদালতের দুই লক্ষ টাকা জরিমানা মিয়ানমার: সেনাবাহিনীর ক্ষমতা দখল, প্রেসিডেন্ট এবং সু চি গ্রেফতার পিপলস ইমপ্রুভমেন্ট সোসাইটি অফ বাংলাদেশ এর পক্ষ থেকে বালিয়াডাঙ্গীতে গরীব ও অসহায় ছাত্রদের মাঝে সুইটার ও কম্বল বিতরণ ঢাকা থেকে বালিয়াডাঙ্গী রানিশংকৈলে ছেড়ে আসা রোজিনা পরিবহনে ডাকাতি,এক মহিলা ডাকাত আটক ঠাকুরগাঁও জেলার বালিয়াডাঙ্গী উপজেলায় ছাত্রলীগের 73 তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন ঠাকুরগাঁও এর বালিয়াডাঙ্গী উপজেলায় সৌদিআরবের বাদশাহ সালমান কর্তৃক ত্রাণ বিতরণ মনগড়া মিথ্যা প্রচার কারায় শাকিলসহ ৪ জনের নামে ল্যিগাল নোটিশ বালিয়াডঙ্গীতে মানববন্ধনও স্মারকলীপি প্রদান বালিয়াডাঙ্গীতে ৫০০ গরীব অসহায় মানুষের মধ্যে Global Relief Trust, (GRT) এর শীতবস্ত্র বিতরণ বালিয়াডাঙ্গীতে মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ১ আহত ২
মঙ্গলবার, ২০ এপ্রিল ২০২১, ০১:১৬ অপরাহ্ন
নোটিশ :
গনতদন্ত নিউজ এ আপনাকে স্বাগতম

বেটা নাম বদলাও—মো.হারুন অর রশিদ

নিউজ ডেস্ক / ২৯১ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : রবিবার, ৩০ আগস্ট, ২০২০

বেটা নাম বদলাও

     ------মো.হারুন অর রশিদ

৮০’র দশক।সিনেমার ব্যবস্যা জমজমাট।দিনে ও রাতে চারটি শো চলে।সিনেমার সিটে দর্শক কানায় কানায় ভরা।টিকিট কাটার স্টাইলও ভিন্ন।কখনো কখনো টিকিট না পেয়ে কালো বাজারীদের কাছ থেকে চরা দামে টিকিট নিতে হতো।এক কথায় জমজমাট সিনেমা ব্যবসা।

যাক সেসব, এখন আসা যাক মুল কথায়।তখন মোবাইল ফোন ছিল না।ছিল টেলিফোন।তাও সেটা বাটন টিপে নয়। আংগুল দিয়ে ঘুড়িয়ে ঘুড়িয়ে কাংখিত নাম্বারে ফোন ঢুকাতে হতো।

বুলবুল সিনেমা।সিনেমা হলে মালিক বসার একটি ঘর ছিল।ঘরে টেবিলের উপর একটি টেলিফোন সেট সাজানো।সিনেমার হিসাব শেষ করে মালিক চলে গেলে সিনেমা দেখা-শোনা ও রক্ষনা-বেক্ষনের দায়িত্বে ছিল একজন নাইট গার্ড।তার নাম মেজর।বয়স ২৫/২৬ বছর। নাইট গার্ড মেজরের টেলিফোন নামক যন্ত্রটির প্রতি ভালবাসা বৃদ্ধি পেতে লাগল।
মালিক ও ম্যানেজার এটি কিভাবে আংগুল দিয়ে ঘুড়িয়ে ঘুড়িয়ে কানে রিসিভার লাগিয়ে কথা বলেন তা দেখেন।এটা দেখে দেখে যন্ত্রটির প্রতি আগ্রহ আরো বাড়তে থাকলো।

অন্যান্য দিনের মতো হিসাব শেষে করে মালিক ও ম্যানেজার সিনেমা ছেড়ে গেলেন। রাত প্রায় দুইটা। গভীর রাত। নাইট গার্ডের খুব ইচ্ছা হলো মালিকের মতো করে টেলিফোনটি আজ কানে লাগিয়ে ঘুড়ানোর।যেই চিন্তা সেই কাজ।

কানে রিসিভার লাগিয়ে আংগুল দিয়ে ঘুড়াতে লাগলেন মালিকের মতো।কাকতালীয় ভাবে একটি টেলিফোন নাম্বারে সংযোগ হয়ে গেল। সেটি আবার থানার নাম্বার।বুলবুল থানার বড় বাবু(ওসির) চেম্বারেরর নাম্বার এটি।কিরিং কিরিং—-।

অপর প্রান্ত থেকে ওসি ফোন তুললেন।সালাম দিলেন।আস সালামু আলাইকুম।কে বলছেন?

সিনেমার নাইট গার্ড বলে কথা!গলায় কর্কশ ভাষা।নাইট গার্ডের ভাব।
এ প্রান্ত থেকে নাইট গার্ড কর্কশ ভাষায় বল্ল-আমি “মেজর”।

ওসি বল্ল স্যার কেমন আছেন?এতো রাতে কোন সমস্যা স্যার?

গার্ড মেজর বল্ল-আরে তেমন কিছু না।মজা করছিলাম।

ওসি বল্ল-ও তাই বলেন স্যার!আমি ভাবছিলাম কোন সমস্যা হলো কি না আবার।
স্যার ম্যাডাম ভাল আছেন? বাসায় যাবেন না?
নাইট গার্ড বল্ল- আরে না।আমি বুলবুল সিনেমায় আছি।

ওসি বল্ল- স্যার আপনি আমার এলাকায় আসছেন।আপনি আমাকেও জানালেন না।এটা হলো স্যার।কিছু না হলেও এক কাপ চা তো খাওয়াতে পারতাম স্যার।

স্যার স্যার শুনে নাইট গার্ডতো এক্কেবারে গদ গদ হয়ে গেছেন।

ওসি বল্ল -স্যার আমি কি আসবো।এত্তো রাতে বুলবুল সিনেমায় কি করছেন স্যার?

নাইট গার্ড বল্ল-তুমি জান না।আমি এই সিনেমার নাইট গার্ড।আমার নাম মেজর।আমার বাড়ী ফালাফালি গ্রামে।

ওসি শুনে কিছুক্ষন চুপ হয়ে থাকলেন।রাগতো বড়বাবুর মাথায় উঠে গেছে।তাহলে নাইট গার্ডকে এতোক্ষুন স্যার স্যার করে তোষামোদ করলাম।ততক্ষনে নাইট গার্ড তার ও তার পরিবারের পরিচয় দিয়ে যাচ্ছেন।
এবার নাইট গার্ড বলছে কি হলো কথা বলছো না কেন?

এবার ওসি রাগে খিট মিটিয়ে বল্লো-ওই বেটা ফোন রাখ আর নাম বদলা।কাল থেকে তোমার এই নাম যেন আর না শুনি।
বেটা নাম বদলাও।মেজর মা—ড়া—ই।

এবার নাইট গার্ড মেজর ভাবছে কি হলো এতোক্ষন লোকটা স্যার স্যার করছিল।ভালই তো লাগছিল।

মেজর বললো আপনি কে বলছেন?
অপরপ্রান্ত থেকে-আমি বুলবুল থানার বড়বাবু(ওসি)।

স্যার।”””:::::::::::!
এবার নাইট গার্ড বল্লো স্যার আমাকে মাফ করেন।আমি কালই নাম বদলাবো।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ