শিরোনাম
ঠাকুরগাঁওয়ে ভুট্টা ক্ষেতে ৩ বছরের শিশুর মরদেহ উদ্ধার ঠাকুরগাওয়ে শ্বশুর বাড়ীতে জামাইয়ের ঝুলন্ত লাশ কিং সালমান হিউমেনিটেরিয়ান এইড এন্ড রিলিফ সেন্টারের অর্থায়নে ঠাকুরগাঁও জেলার হরিপুর উপজেলায় ত্রাণ বিতরণ ঠাকুরগাওয়ের বালিয়াডাঙ্গীতে অবৈধ ইট ভাটায় ভ্রাম্যমান আদালতের দুই লক্ষ টাকা জরিমানা মিয়ানমার: সেনাবাহিনীর ক্ষমতা দখল, প্রেসিডেন্ট এবং সু চি গ্রেফতার পিপলস ইমপ্রুভমেন্ট সোসাইটি অফ বাংলাদেশ এর পক্ষ থেকে বালিয়াডাঙ্গীতে গরীব ও অসহায় ছাত্রদের মাঝে সুইটার ও কম্বল বিতরণ ঢাকা থেকে বালিয়াডাঙ্গী রানিশংকৈলে ছেড়ে আসা রোজিনা পরিবহনে ডাকাতি,এক মহিলা ডাকাত আটক ঠাকুরগাঁও জেলার বালিয়াডাঙ্গী উপজেলায় ছাত্রলীগের 73 তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন ঠাকুরগাঁও এর বালিয়াডাঙ্গী উপজেলায় সৌদিআরবের বাদশাহ সালমান কর্তৃক ত্রাণ বিতরণ মনগড়া মিথ্যা প্রচার কারায় শাকিলসহ ৪ জনের নামে ল্যিগাল নোটিশ
বুধবার, ০৪ অগাস্ট ২০২১, ০৯:৫০ পূর্বাহ্ন
নোটিশ :
গনতদন্ত নিউজ এ আপনাকে স্বাগতম

বাংলাদেশেই উৎপাদন হচ্ছে করোনার ঔষধ।খুব শীঘ্রই বাজারে আসছে।

নিউজ ডেস্ক / ১১৬ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : সোমবার, ৪ মে, ২০২০

কভিড-১৯ করো’না ভাই’রাসে আ’ক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসায় কার্যকর হিসেবে প্রমাণিত ওষুধ রেমডিসিভির উৎপাদনের জন্য প্রাথমিকভাবে দেশের ছয়টি কোম্পানিকে অনুমতি দিয়েছে ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর।

এর মধ্যে দু’টি কোম্পানি চলতি মাসেই ওষুধটি বাজারে আসবে বলে গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মো: মাহবুবুর রহমান। বাংলাদেশে অনুমতি পাওয়া ছয় কোম্পানির নাম হলো- এসকেএফ ফার্মাসিউটিক্যালস, বিকন ফার্মাসিউটিক্যালস, বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালস, ইনসেপ্টা ফার্মাসিউটিক্যালস, হেল্থকেয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস এবং স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস।

ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মো: মাহবুবুর রহমান সংবাদমাধ্যমকে বলেন, আগে থেকেই আমাদের প্রস্তুতি ছিলো। এটি আসলে পুরাতন মেডিসিন; ইবোলার জন্য ব্যবহার হতো। এটা করোনাতেও ব্যবহার হতে পারে, সে ধরণের একটা ধারণা আমাদের ছিলো। সেজন্য আম’রা প্রস্তুতি নেই। আমাদের যে উৎপাদকরা আছে তাদের সঙ্গেও আমাদের আলোচনা হয়। এখন আম’রা ছয়টি ফার্মাসিউটিক্যাল ম্যানুফ্যাকচারারকে এটি উৎপাদনের জন্য অনুমতি দিয়েছি। করো’না ভাই’রাসের ইনজেকশন সবার আগে মে মাসের মধ্যেই বাজারে আসবে।

মেজর জেনারেল মো: মাহবুবুর রহমান জানান, এসকেএফ এবং বেক্সিমকো অনেকখানি এগিয়ে গেছে। আশা করা যায়, এই মাসেরই ২০ তারিখের মধ্যে ওরা প্রডাকশনে চলে আসবে। এছাড়া জুনের মধ্যেই চলে আসবে অনেকেই। এখন পর্যন্ত যে মেডিসিনগুলো করো’নার ক্ষেত্রে ব্যবহারের কথা বলা হচ্ছে তার মধ্যে মোটামুটি ট্রায়াল দ্বারা প্রমাণিত হয়েছে যে এটির কার্যকারিতা আছে।

মা’র্কিন গবেষকরা জানিয়েছেন, করো’না আ’ক্রান্ত রোগীদের ওপর ওষুধটি যত দ্রুত ব্যবহার করা যায় তত বেশি কার্যকর হয়। লক্ষ্মণ অনুযায়ী অন্য ওষুধ ব্যবহার করা রোগীদের যেখানে সুস্থ হতে ১৫ দিনের মতো সময় লেগেছে সেখানে রেমডিসিভির প্রয়োগ করা রোগীরা মোটামুটি ১১দিনেই সুস্থ হয়েছেন।
তারা বলছেন, আগেভাগেই ওষুধটি প্রয়োগ করা হয়েছে এমন শতকরা ৬২ ভাগ রোগীকে হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেয়া সম্ভব হয়েছে। আর যেসব রোগীকে দেরিতে দেয়া হয়েছে তাদের শতকরা ৪৯ ভাগ হাসপাতাল ত্যাগ করে। করো’নার প্রভাব শুরুর দিকেই এর প্রতিরোধক ভ্যাকসিন বা প্রতিষেধক ওষুধ তৈরির জন্য বিভিন্ন দেশে চেষ্টা চলছে। বর্তমান বাজারে বেশ কয়েকটি ওষুধের নামও রয়েছে। শুক্রবার (১ মে) ডোলান্ড ট্রা’ম্প তার দেশটিতে বিশেষজ্ঞদের নিয়ে বৈঠকের এক জরুরি সভায় চিকিৎসার জন্য রেমডিসিভির ব্যবহারের অনুমতি দেন মা’র্কিন ফুড এন্ড ড্রা’গ এডমিনিস্ট্রেশন-এফডিএ।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ